কলকাতা: রাজ্যের প্রায় ৮৩ হাজার নির্বাচনী বুথের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দায়ের করা মামলায় স্পষ্ট বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব আদালতের ঘাড়ে চাপানো যাবে না—এমনই মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানাতে হবে।
মামলার প্রেক্ষাপট: কী দাবি শমীকের?
বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জনস্বার্থ মামলা করে দাবি করেন, ভোটের দিন রাজ্যের বহু বুথে ন্যূনতম নিরাপত্তা থাকে না। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও বুথের ভেতরে ভোটার ও বিরোধী দলের এজেন্টদের উপর চাপ ও ভয় দেখানোর অভিযোগ ওঠে।
ম্যাকিনটোশবার্ন প্রসঙ্গ: কাজ থামল মাঝপথে
নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানান, বুথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিকাঠামোগত কাজের দায়িত্ব ছিল ম্যাকিনটোশবার্ন কোম্পানির উপর। কিন্তু রাজ্যের অর্থ দফতরের সঙ্গে আলোচনার পর তারা কাজ থেকে সরে দাঁড়ায়।
কমিশনের দাবি,
সংস্থা প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ শেষ করেই কাজ বন্ধ করে দেয়
বিষয়টি এখন পুরোপুরি রাজ্য সরকারের দায়িত্ব
ক্যামেরা বন্ধ, ভয় দেখানোর অভিযোগ
শমীক ভট্টাচার্যের আইনজীবীর দাবি, ভোটের সময় একাধিক বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কখনও কাগজ, কখনও ময়দা লাগিয়ে ক্যামেরা অকার্যকর করার অভিযোগ ওঠে।
শমীকের বক্তব্য,
এক সপ্তাহের সময় নির্বাচন কমিশনের
সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত নির্দেশ দেয়, নির্বাচন কমিশনকে এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট ও অবস্থান জানাতে হবে। এরপরই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
নির্বাচনী বুথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের পর্যবেক্ষণ, বুথ নিরাপত্তা আদালতের নয়, নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব।












