শেয়ারবাজারে পতনের মধ্যে সোনা ও রুপোর দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস

শেয়ারবাজারে বড় পতনের মধ্যে সোনা ও রুপোর দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস নথিভুক্ত হয়েছে। বিভিন্ন শহরে দামের পার্থক্য দেখা গেছে, যেখানে পাটনা ও রায়পুরে দাম তুলনামূলক কম এবং ভোপাল ও ইন্দোরে বেশি ছিল। বাজারের ওঠানামার মধ্যে দামের নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় ছিল।

শেয়ারবাজারে তীব্র পতনের মধ্যে সোনা ও রুপোর দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে সেনসেক্স ও নিফটিতে বড় পতন ঘটে, যার প্রভাব সোনা ও রুপোর দামে প্রতিফলিত হয়েছে।

সকালের লেনদেনে সোনা ও রুপো উভয়ের দামে দ্রুত পতন নথিভুক্ত হয়েছে। সকাল প্রায় ১০:২৫ নাগাদ ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল প্রায় ১,৫২,০৯০ টাকা, যা প্রতি ১০ গ্রামে প্রায় ৯৩৫ টাকা কম। দিনের লেনদেনে সোনা সর্বনিম্ন ১,৫১,৭১২ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,৫২,২৪৮ টাকা স্তর স্পর্শ করে, যা বাজারে ওঠানামা থাকা সত্ত্বেও সামগ্রিকভাবে নিম্নমুখী প্রবণতা নির্দেশ করে।

রুপোর ক্ষেত্রেও বেশি পতন দেখা গেছে। সকাল প্রায় ১০:৩০ নাগাদ ১ কেজি রুপোর দাম প্রায় ২,৪৪,০৮০ টাকায় নেমে আসে, যেখানে প্রতি কেজিতে প্রায় ৪,১১৪ টাকা হ্রাস নথিভুক্ত হয়েছে। দিনের লেনদেনে রুপো সর্বনিম্ন ২,৪৩,০৮৩ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,৪৫,৩৮৭ টাকা স্তর স্পর্শ করে।

শেয়ারবাজারে পতনের প্রভাবও স্পষ্ট ছিল। বিএসই সেনসেক্স খোলার সঙ্গে সঙ্গে প্রায় ১,৭০০ পয়েন্ট কমে যায়, আর নিফটিতে ৫০০ পয়েন্টের বেশি পতন দেখা যায়। বাজারে এই ধরনের পতনের সময় বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন সম্পদশ্রেণিতে অর্থ স্থানান্তর করে, তবে এই ক্ষেত্রে সোনা ও রুপোর দামেও পতন লক্ষ্য করা গেছে।

বিভিন্ন শহরে সোনার দামে পার্থক্য দেখা গেছে। পাটনায় ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ছিল প্রায় ১,৫২,৪৩০ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম। জয়পুর, কানপুর এবং লখনউয়ে দাম ১,৫২,৪৯০ থেকে ১,৫২,৫৫০ টাকার মধ্যে ছিল। ভোপাল ও ইন্দোরে দাম সর্বোচ্চ ১,৫২,৬৮০ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছায়।

রুপোর ক্ষেত্রেও শহরভেদে পার্থক্য ছিল। রায়পুরে ১ কেজি রুপোর দাম ছিল প্রায় ২,৪৪,৪২০ টাকা, যা সর্বনিম্ন। পাটনা, জয়পুর, কানপুর ও লখনউয়ে দাম ২,৪৪,৪৪০ থেকে ২,৪৪,৬৩০ টাকার মধ্যে ছিল। ভোপাল ও ইন্দোরে দাম সর্বোচ্চ ২,৪৪,৮৩০ টাকা প্রতি কেজি পর্যন্ত পৌঁছায়।

সামগ্রিকভাবে সোনা পাটনায় সর্বনিম্ন এবং ভোপাল ও ইন্দোরে সর্বোচ্চ দামে পাওয়া গেছে। রুপো রায়পুরে সর্বনিম্ন এবং ভোপাল ও ইন্দোরে সর্বোচ্চ দামে লেনদেন হয়েছে।

সোনা ও রুপোর দামের এই পতন ক্রেতাদের জন্য একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষত যারা বিবাহ বা বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে ক্রয় করতে চান তাদের জন্য এই সময় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাজারের দিকনির্দেশনা ও ব্যক্তিগত বাজেট বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সোনা ও রুপোতে বিনিয়োগ সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গিতে করা উচিত। দামে দৈনন্দিন ওঠানামা হওয়ায় স্বল্পমেয়াদি সিদ্ধান্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে ক্রয় বা এসআইপি পদ্ধতি গ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে বাজারের ওঠানামার প্রভাব কমানো যায়।

Leave a comment