বাঙালির জীবনে পান শুধু খাবারের পরের অনুষঙ্গ নয়, বরং সংস্কৃতির অঙ্গ। শুভ অনুষ্ঠান থেকে আড্ডা—সব জায়গাতেই পানের গুরুত্ব অপরিসীম। সেই চেনা পানের স্বাদে এবার নতুন মাত্রা যোগ করেছে আলিপুরদুয়ার শহরের এক অভিনব সৃষ্টি—গোলাপ পাপড়ি পান।
গোলাপ পাপড়ি পান কেন এত জনপ্রিয়? বাঙালি ঐতিহ্য আর আধুনিক স্বাদের মেলবন্ধন
বছরের যে কোনও ঋতুতেই বাঙালির মুখে পান চাই-ই চাই। সেই চিরাচরিত অভ্যাসেই নতুনত্ব এনেছে গোলাপের সুগন্ধ। ফলে তরুণ প্রজন্ম থেকে প্রবীণ—সবারই কৌতূহল বাড়ছে।
মাউথ রিফ্রেশমেন্টে নতুন সংজ্ঞা
অনুষ্ঠান বাড়ি, বিয়েবাড়ি বা পার্টিতে এখন পানের স্টল মানেই আকর্ষণ। গোলাপ পাপড়ি পান শুধু মুখের স্বাদ বদলায় না, দীর্ঘক্ষণ সতেজ অনুভূতিও দেয়।
কীভাবে তৈরি হচ্ছে এই বিশেষ পান?
মিঠা পান পাতার মধ্যে ব্যবহার করা হয় টাটকা গোলাপের পাপড়ি। দোকানে গোলাপ ফুল জলে ভিজিয়ে রাখা হয়, যাতে তার স্বাভাবিক সুগন্ধ ও সতেজতা বজায় থাকে। প্রতিটি পান হাতে তৈরি হওয়ায় স্বাদে থাকে আলাদা যত্ন।
৩০ রকম মশলার গোপন ফর্মুলা
পান প্রস্তুতকারকের দাবি, প্রায় ৩০ ধরনের মশলা ও সুগন্ধি ব্যবহার করা হয় এই পানে। চুন-সুপারির পরিমাণও ক্রেতার পছন্দ অনুযায়ী ঠিক করে দেওয়া হয়, যা স্বাদকে আরও ব্যক্তিগত করে তোলে।
দাম কম, আকর্ষণ বেশি
মাত্র ৩০ টাকাতেই পাওয়া যাচ্ছে এই গোলাপ পাপড়ি পান। স্বল্প দামে অভিনব স্বাদের জন্যই প্রতিদিন ভিড় বাড়ছে দোকানে।
ফায়ার বা আইস পান নয়—এবার শহরজুড়ে ট্রেন্ডিং গোলাপ পাপড়ি পান। আলিপুরদুয়ারের এক পানশিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় তৈরি এই বিশেষ পান মুখে দিলেই ছড়িয়ে পড়ে গোলাপের মিষ্টি ঘ্রাণ, যা দীর্ঘক্ষণ সতেজ অনুভূতি দেয়।













