Human Character: আত্মকেন্দ্রিক মানুষকে চেনার সহজ উপায়! কথার ফাঁকেই বলে ফেলেন এই ৪ বাক্য

Human Character: আত্মকেন্দ্রিক মানুষকে চেনার সহজ উপায়! কথার ফাঁকেই বলে ফেলেন এই ৪ বাক্য

মানুষ মানেই ভাল-খারাপের মিশেল। কেউ পুরোপুরি সাদা নয়, আবার পুরোপুরি কালোও নয়। কিন্তু কিছু স্বভাব সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব ঠিক তেমনই এক বৈশিষ্ট্য, যা ধীরে ধীরে সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দেয়।

আত্মকেন্দ্রিকতা কী?

মনোবিশ্লেষকদের মতে, আত্মকেন্দ্রিক মানুষরা সবকিছু নিজেদের দৃষ্টিকোণ থেকেই বিচার করেন। অন্যের অনুভূতি বা মতামত তাঁদের কাছে গৌণ হয়ে যায়। সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ অন্দিন্দিতা মাঝির কথায়, “আত্মকেন্দ্রিকতা অনেক সময় অজান্তেই প্রকাশ পায় কথাবার্তার মাধ্যমে।”

“ছাড়ো, এবার আমার কথাটা শোনো”

কথোপকথনের মাঝপথে হঠাৎ অন্যের কথা থামিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বা মতামত চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা আত্মকেন্দ্রিক মানুষের অন্যতম লক্ষণ। এতে বোঝা যায়, তাঁরা শুনতে নয়—বলতেই বেশি আগ্রহী।

“তুমি ওভাররিয়াক্ট করছ”

কারও অনুভূতিকে ছোট করে দেখানো বা তাকে অতিরঞ্জিত প্রতিক্রিয়া দেওয়ার অভিযোগ তোলা আত্মকেন্দ্রিকতার আরেকটি চিহ্ন। এতে প্রতিপক্ষের আবেগকে অস্বীকার করা হয় এবং নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করার চেষ্টা থাকে।

“আমি তো সব সময় সৎ”

নিজেকে নিরন্তর সঠিক প্রমাণ করার প্রবণতা থেকেও আত্মকেন্দ্রিকতা স্পষ্ট হয়। কথায় কথায় নিজের সততা বা নৈতিকতার কথা তুলে ধরা আসলে আত্মপ্রচারেরই সূক্ষ্ম রূপ।

“আমি সারাদিন খুব ব্যস্ত ছিলাম”

নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ বা অপরিহার্য দেখানোর জন্য ব্যস্ততার অজুহাত দেওয়া আত্মকেন্দ্রিক মানুষের স্বভাবসিদ্ধ আচরণ। এতে সহানুভূতির চেয়ে আত্মমহিমা প্রকাশের প্রবণতাই বেশি স্পষ্ট হয়।

“তুমি খুব সংবেদনশীল”

অন্যকে ‘সংবেদনশীল’ বা ‘দুর্বল’ বলে দেগে দেওয়া অনেক সময় আত্মরক্ষার কৌশল। এতে নিজের কঠোরতা বা দৃঢ়তাকে তুলে ধরার চেষ্টা থাকে, অথচ সম্পর্কের সূক্ষ্ম ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

মানুষের চরিত্রে যেমন ভাল গুণ থাকে, তেমনই লুকিয়ে থাকে কিছু নেতিবাচক দিক। আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব তারই একটি প্রকাশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, কথোপকথনের সময় কিছু নির্দিষ্ট বাক্য বারবার ব্যবহার করেন আত্মকেন্দ্রিক মানুষরা। সেই চারটি লক্ষণ জানলেই সহজে চেনা যাবে তাঁদের।

Leave a comment