দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রায় তৈরি ইছামতীর উপর নতুন সেতু। এখনও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বাকি, কিন্তু তাতেই বা কী! প্রতিদিন বিকেল নামলেই মানুষের ঢল নামছে এই সেতুতে—নদীর হাওয়া, মনোরম দৃশ্য আর জমজমাট খাবারের দোকানে জমে উঠছে এক নতুন প্রাণকেন্দ্র।
স্বপ্নের সেতু, শেষ পর্যায়ে নির্মাণ কাজ
লক্ষ্মীনাথপুর অঞ্চলে ইছামতী নদীর উপর নির্মিত এই সেতুর কাজ এখন প্রায় শেষ। কিছু রঙের কাজ ও ছোটখাটো পরিকাঠামোগত কাজ বাকি থাকলেও খুব শীঘ্রই এটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
উদ্বোধনের অপেক্ষা, তবু শুরু হয়ে গিয়েছে ব্যবহার
যদিও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এখনও হয়নি, তবুও সাধারণ মানুষ আর অপেক্ষা করছেন না। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত শুরু করেছেন, যা এটিকে প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথে পরিণত করছে।
পর্যটনের নতুন ঠিকানা, বিকেলে উপচে পড়ছে ভিড়
শুধু যাতায়াত নয়, এই সেতু এখন এক জনপ্রিয় ঘোরার জায়গা। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে অনেকেই ভিড় জমাচ্ছেন। সূর্যাস্তের সময় নদীর ধারে দাঁড়িয়ে মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে ভিড় ক্রমশ বাড়ছে।
ফুচকা-ঘুগনির দোকানে জমে উঠছে আড্ডা
সেতুর আশপাশে গড়ে উঠছে ছোট ছোট খাবারের স্টল। ফুচকা, ঘুগনি, চাট—সব মিলিয়ে জমে উঠছে বিকেলের আড্ডা। প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় এলাকা কার্যত মেলার রূপ নিচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতেও নতুন গতি আনছে।
উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলবে সেতু চালু হলে
এই সেতু সম্পূর্ণ চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এলাকার মানুষ দ্রুত যাতায়াত করতে পারবেন, পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনেও নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-র লক্ষ্মীনাথপুরে ইছামতী নদী-র উপর তৈরি নতুন সেতু এখন আকর্ষণের কেন্দ্র। উদ্বোধনের আগেই ভিড় উপচে পড়ছে, বিকেলের আড্ডা থেকে স্ট্রিট ফুড—সব মিলিয়ে নতুন পর্যটন স্পটের রূপ নিচ্ছে এলাকা।













