দিল্লির জন্তর-মন্তরে চলমান বিক্ষোভ টানা তৃতীয় দিন ও তৃতীয় রাতেও অব্যাহত রয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী অবস্থানস্থলে থেকে নিজেদের দাবির পক্ষে আন্দোলন চালিয়ে যান।
বিক্ষোভের মধ্যে দাবি করা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং দিল্লির মেদান্তা হাসপাতালে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে এই সাক্ষাৎ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। অবস্থানস্থলে বিভিন্ন সংগঠন ও সমর্থকদের উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষোভের কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংসদ অভিমুখে মিছিল চলাকালীন সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় ৯টির বেশি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, সিসিটিভি রেকর্ডিং এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ পরীক্ষা করছে। যাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা হচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, সংসদ অভিমুখে মিছিল চলাকালীন ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর তদন্ত নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত প্রমাণ, ভিডিও রেকর্ডিং এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের ভিত্তিতে পুরো ঘটনাক্রম বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
ওয়াংচুকের সঙ্গে কথিত সাক্ষাতের খবর প্রকাশের পর রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই সাক্ষাতে কী আলোচনা হয়েছে এবং এর আন্দোলনের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
বর্তমানে জন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি আন্দোলন-সংক্রান্ত ঘটনাপ্রবাহও পর্যবেক্ষণ করছে। সরকার ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সম্ভাব্য কোনো আলোচনার দিকেও নজর রয়েছে।










