কানপুরের হনুমন্ত বিহার এলাকায় মাদকসেবনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের পর গুলি চালানোর অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিরোধ বাড়ার সময় গুলি চালানো হয় এবং এতে দুই সহোদর ভাই অল্পের জন্য রক্ষা পান। ঘটনাকালে দুই পক্ষের মধ্যে মারধরের ঘটনাও ঘটে। মহিলাদের বিরুদ্ধে লাঠি ও পাথর দিয়ে হামলার অভিযোগও উঠেছে।
গুলির ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের বাসিন্দারা বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। পুলিশ উপস্থিত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বিরোধের কারণ এবং গুলি চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা করছে।
জানা গেছে, এলাকায় মাদকসেবনকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূচনা হয়। এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মাদকসেবন এবং আশপাশের পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ তোলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ মুখোমুখি হয় এবং বিরোধ দ্রুত বাড়তে থাকে।
বিরোধ চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে মারধর শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, মহিলারাও সংঘর্ষে অংশ নেন এবং লাঠি ও পাথর দিয়ে হামলা চালান। মারধরের সময় এলাকায় দীর্ঘক্ষণ উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি চলতে থাকে।
এই সময়ই গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, দুই সহোদর ভাইকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল। তবে তারা গুলির আঘাত থেকে রক্ষা পান। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। নতুন করে কোনো বিরোধ সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ এখন গুলি চালানোর অভিযোগের তদন্ত করছে। ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হতে পারে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কে গুলি চালিয়েছিল তা জানার চেষ্টা চলছে।
মারধরের সময় লাঠি ও পাথর ব্যবহারের অভিযোগও পুলিশ তদন্ত করছে। উভয় পক্ষের আনা অভিযোগ নথিভুক্ত করে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এলাকায় মাদকসেবনকে কেন্দ্র করে এর আগেও বিরোধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, সময়মতো এ ধরনের কার্যকলাপ বন্ধ করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারে।
গুলির ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ছিল। পুলিশ বাসিন্দাদের শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো ধরনের গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ করেছে।
পুলিশ আরও খতিয়ে দেখছে, গুলি চালানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অস্ত্রটি কার কাছে ছিল এবং গুলি চালানোর কারণ কী ছিল। তদন্তে গুলি চালানোর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দুই পক্ষের বিরোধে কেউ আহত হয়েছে কি না, সেই তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযোগ এবং মেডিক্যাল রিপোর্টের ভিত্তিতে মারধরের অভিযোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে গুলি চালানোর ঘটনায় দুই সহোদর ভাই নিরাপদে রয়েছেন। তবে ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। বিরোধের সূচনা থেকে গুলি চালানোর অভিযোগ এবং মারধরের ঘটনাপ্রবাহের সব দিক একত্র করে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









