লখনউয়ে বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর একটি গুরুতর ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, নম্বরপ্লেটবিহীন একটি থার এসইউভি একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ধাওয়া করে দুই যুবককে আটক করেন, তবে এক যুবতীসহ আরও তিনজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সংঘর্ষটি এতটাই জোরালো ছিল যে মোটরসাইকেল আরোহীরা রাস্তায় ছিটকে পড়েন এবং মোটরসাইকেলটি অনেক দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। আশপাশের লোকজন আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর থার এসইউভিতে থাকা কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পথচারীরা দুই যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। বাকি তিনজন, যাদের মধ্যে একজন যুবতী রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ তাদের পরিচয় শনাক্ত ও সন্ধানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত মোটরসাইকেল ও থার এসইউভিটি জব্দ করে তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও পরীক্ষা করা হচ্ছে, যাতে দুর্ঘটনার সম্পূর্ণ ঘটনাক্রম নিশ্চিত করা যায়।
পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, গাড়িটিতে কেন নম্বরপ্লেট ছিল না এবং দুর্ঘটনার সময় কে গাড়িটি চালাচ্ছিল, তাও তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি গাড়িটির নিবন্ধন, মালিকানা এবং অন্যান্য আইনগত নথিপত্র সঠিক রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের চিকিৎসাগত অবস্থার ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ধারা নির্ধারণ করা হতে পারে। পুলিশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও নথিভুক্ত করছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। উপলব্ধ প্রমাণ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গাড়িচালকের অবহেলা বা অন্য কোনো আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, পলাতক অভিযুক্তদের খুঁজতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।











