লখনউবাসীর পাশাপাশি গোটা দেশের জন্য স্মরণীয় দিন। অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকীতেই জাতীয় চেতনা ও আদর্শকে সামনে রেখে গড়ে ওঠা ‘রাষ্ট্র প্রেরণা স্থল’-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জাতীয় নেতৃত্বের আদর্শকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই বিশেষ প্রকল্পের সূচনা।
৬৫ একর জুড়ে জাতীয় অনুপ্রেরণার কেন্দ্র
লখনউয়ের বিস্তীর্ণ ৬৫ একর জমির উপর নির্মিত রাষ্ট্র প্রেরণা স্থলকে জাতীয় প্রেরণার এক স্থায়ী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে ভারতরত্ন অটলবিহারী বাজপেয়ী, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ৬৫ ফুট উচ্চতার ব্রোঞ্জ মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে।
তিন মনীষীর আদর্শে গড়া ভবিষ্যতের বার্তা
এই তিন রাষ্ট্রনায়কের জীবনদর্শন, জাতীয়তাবাদ ও আত্মনির্ভর ভারতের ভাবনাকে সামনে রেখেই এই প্রকল্পের পরিকল্পনা। তাঁদের আদর্শ ও রাজনৈতিক চিন্তাধারা যাতে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যায়, সেটাই এই কেন্দ্রের মূল উদ্দেশ্য।
পদ্মফুলের আদলে আধুনিক মিউজিয়াম
রাষ্ট্র প্রেরণা স্থলের অন্যতম আকর্ষণ পদ্মফুলের নকশায় তৈরি অত্যাধুনিক মিউজিয়াম। প্রায় ৯৮ হাজার বর্গফুট এলাকায় বিস্তৃত এই মিউজিয়ামে ডিজিটাল ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ প্রযুক্তির মাধ্যমে ভারতের জাতীয় অগ্রগতির ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
২৩o কোটি টাকার প্রকল্প, উপস্থিত শীর্ষ নেতৃত্ব
প্রায় ২৩o কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও বহু সাধারণ মানুষ।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর ১০১তম জন্মবার্ষিকীতে লখনউতে ২৩o কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ‘রাষ্ট্র প্রেরণা স্থল’-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৬৫ একর জুড়ে গড়ে ওঠা এই স্থলে উন্মোচিত হল বাজপেয়ী, দীনদয়াল উপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সুবিশাল মূর্তি।











