কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৫: কলকাতায় চলছে ৩১তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এদিন নন্দনে হাজির হয়েছিলেন টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, ছোটবেলা থেকেই এই উৎসবের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগ রয়েছে। ডিজিটাল যুগ না থাকলেও তখন বিদেশি সিনেমা দেখার একমাত্র সুযোগ ছিল এই উৎসব। তাই প্রতিবারই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন তিনি। এবার আবার বড় পর্দায় ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ দেখে যেন ফিরে গেলেন সেই পুরনো দিনে।

‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ দেখে পুরনো দিনে ফিরে গেলেন প্রসেনজিৎ
নন্দনের অনুষ্ঠানে প্রসেনজিৎ বলেন, “অনেক বছর পর বড়পর্দায় ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ দেখলাম। ভেবেছিলাম কিছুক্ষণ দেখে চলে যাব, কিন্তু একেবারে বসে পড়লাম। ছবির ঝকঝকে প্রিন্ট দেখে চোখ ফেরাতে পারিনি।”তিনি আরও বলেন, “যাঁদের কোলে-পিঠে মানুষ হয়েছি, তাঁদের অভিনয় পর্দায় দেখে মন ভরে গেল।”
ঋত্বিক ঘটক ও সত্যজিৎ রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা
এই বছর উৎসবে ঋত্বিক ঘটকের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে তাঁর একাধিক ছবি দেখানো হচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে প্রসেনজিৎ বলেন, “ঋত্বিকদা ও সত্যজিৎ রায় আমাদের সিনেমাকে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তা অতুলনীয়।”তিনি জানান, এই উৎসব শুধু সিনেমা দেখার জায়গা নয়, এটা আসলে শেখার জায়গা।

গৌতম ঘোষকে ধন্যবাদ জানালেন অভিনেতা
উৎসবের চেয়ারম্যান পরিচালক গৌতম ঘোষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন প্রসেনজিৎ। বলেন, “গৌতমদা ছাড়া এত সুন্দরভাবে এই আয়োজন সম্ভব নয়। আগেও বলেছি, আবার বলছি— এই কাজের জন্য উনি একদম উপযুক্ত।”তিনি আরও জানান, “এবার উৎসবে দারুণ সব নতুন ছবি এসেছে, যা দর্শকদের জন্য এক বড় আনন্দের বিষয়।”
ডিজিটাল যুগেও উৎসবের আবেদন অটুট
আজকের দিনে OTT ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অসংখ্য সিনেমা দেখা যায়, কিন্তু ফেস্টিভ্যালের অভিজ্ঞতা অন্যরকম— এমনটাই মত প্রসেনজিতের। তাঁর কথায়, “বড়পর্দায় সিনেমা দেখার আনন্দের সঙ্গে কোনো তুলনা চলে না। এই উৎসবই নতুন প্রজন্মকে সিনেমার আসল মানে শেখায়।

৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির হয়ে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বললেন, ছোটবেলা থেকেই এই উৎসবের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক। ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ দেখে ফের আবেগতাড়িত হলেন টলিউডের এই জ্যেষ্ঠ তারকা।













