আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই শুরু হতে চলেছে রাজ্যের অন্যতম বড় পরীক্ষা—মাধ্যমিক। কিন্তু ঠিক সেই সময়েই SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ার চাপে পড়ে শিক্ষক ও শিক্ষা আধিকারিকের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে প্রায় ১০ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে শিক্ষা মহলে।

সোমবার থেকে মাধ্যমিক, প্রস্তুতিতে বড় চ্যালেঞ্জ
মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে শুরু হওয়া মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য রাজ্যজুড়ে প্রয়োজন প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষা আধিকারিক। পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন, প্রশ্নপত্র বিতরণ, নজরদারি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার জন্য এই বিপুল সংখ্যক কর্মীর উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
SIR-এর কাজে ব্যস্ত শিক্ষক-আধিকারিকরা
বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চলেছে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ অভিযান—SIR। সেই কাজেই যুক্ত রয়েছেন বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষা আধিকারিক। ফলে মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় তাঁদের ডিউটি পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

পরীক্ষা সুষ্ঠু হবে তো? উঠছে প্রশ্ন
শিক্ষা প্রশাসনের একাংশের মতে, পর্যাপ্ত সংখ্যক অভিজ্ঞ শিক্ষক ও আধিকারিক না থাকলে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিচালনা ব্যাহত হতে পারে। পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা থেকে শুরু করে জরুরি পরিস্থিতি সামলানো—সব ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
কমিশন ও প্রশাসনকে চিঠি পর্ষদের
এই পরিস্থিতিতে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ের জন্য শিক্ষক ও শিক্ষা আধিকারিকদের SIR-এর কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক, যাতে পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।

এখনও মেলেনি কমিশনের জবাব
পর্ষদের দাবি, চিঠি পাঠানো হলেও এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও লিখিত বা মৌখিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে অনিশ্চয়তা কাটেনি। সময় যত এগোচ্ছে, উদ্বেগ ততই বাড়ছে শিক্ষক, অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে।
সোমবার থেকে শুরু হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রায় ১০ লক্ষ পরীক্ষার্থী ও ৫০ হাজার শিক্ষক-আধিকারিকের প্রয়োজন হলেও, অধিকাংশই এখন SIR সংক্রান্ত কাজে ব্যস্ত। ফলে পরীক্ষা সুষ্ঠু ভাবে হওয়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।










