Add 10 Years to Your Life: আধুনিক জীবনের দৌড়ঝাঁপে সুস্থ থাকা যেন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, রোজকার ছোট ছোট অভ্যাসই হতে পারে দীর্ঘ জীবনের আসল চাবিকাঠি। নিউ ইয়র্কের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ ইভান লেভিন এমনই ১০টি অভ্যাসের কথা বলেছেন, যা মানলে দীর্ঘদিন সুস্থ থাকা সম্ভব।

ধূমপান ও মদ্যপানে লাগাম
ধূমপান শরীরে কার্সিনোজেন ছড়িয়ে ক্যানসার, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ায়। তাই নিজে ধূমপান না করার পাশাপাশি ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশ থেকেও দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক। মদ্যপান একেবারে না করাই শ্রেয়, প্রয়োজনে সপ্তাহে ১–২ দিন অল্প পরিমাণে।
ভাজাভুজি ও বাইরের খাবার বর্জন
রেস্তোরাঁর খাবার ও অতিরিক্ত ভাজাভুজিতে থাকে টক্সিক ক্যালোরি ও ট্রান্স ফ্যাট, যা শরীরকে ধীরে ধীরে অসুস্থ করে তোলে। ঘরে তৈরি হালকা ও পুষ্টিকর খাবারই দীর্ঘায়ুর ভিত্তি।
অপ্রয়োজনীয় ওষুধে না
প্রয়োজন ছাড়া ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বিপজ্জনক হতে পারে। বিশেষ করে ADHD-র মতো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একেবারেই না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিয়মিত শরীরচর্চা
রোজ কিছু না কিছু এক্সারসাইজ করতেই হবে। হাঁটার অভ্যাস থাকলে দিনে অন্তত ৭,০০০ পা হাঁটা জরুরি। এতে হার্ট ভালো থাকে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ব্লাড প্রেশার ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ
স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়ে, তাই নিয়মিত চেক-আপ অপরিহার্য।
মিষ্টি পানীয়ে না
সোডা ও মিষ্টি নরম পানীয় শরীরে ওবেসিটি, টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। জল বা প্রাকৃতিক পানীয়ই সবচেয়ে ভালো বিকল্প।
স্ট্রেস কমান, ঘুম বাড়ান
অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরের বড় শত্রু। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ব্রেন ও হার্টের উপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। তাই রোজ ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম অত্যন্ত জরুরি।
দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবন পেতে বড় কোনও ত্যাগের দরকার নেই। নিউ ইয়র্কের কার্ডিওলজিস্ট ডঃ ইভান লেভিন জানিয়েছেন, দৈনন্দিন জীবনে মাত্র ১০টি সাধারণ অভ্যাস বদলালেই আয়ু বাড়তে পারে প্রায় ১০ বছর। ইমিউনিটি শক্ত হবে, দূরে থাকবে বড় রোগ।













