রথযাত্রা মানেই একসময় ছিল পুরী। কিন্তু এখন পশ্চিমবঙ্গের দিঘার জগন্নাথ মন্দিরও ভক্তদের অন্যতম আকর্ষণ। দ্বিতীয় বছরের রথযাত্রায় রশি টানার সুযোগ থাকায় হাজার হাজার ভক্ত ও পর্যটক দিঘামুখী হয়েছেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, শেষ মুহূর্তে আর হোটেল পাওয়া যাবে না। তবে সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিল দিঘা-শঙ্করপুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন।
রথের দিন এখনও মিলছে হোটেলের ঘর
হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই রথযাত্রার দিন দিঘার সব হোটেল এখনও পুরোপুরি ভর্তি হয়নি। অনেক পর্যটক আগাম বুকিং করলেও এখনও প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কক্ষ খালি রয়েছে। ফলে যাঁরা পরিকল্পনা ছাড়াই দিঘায় পৌঁছেছেন, তাঁরাও সহজেই থাকার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
এবার ভক্তদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ রথের রশি টানা
চলতি বছর দিঘার রথযাত্রা দ্বিতীয় বছরে পা দিয়েছে। প্রথম বছরে সাধারণ মানুষের রথের রশি স্পর্শ করার সুযোগ ছিল না। তবে এবার ভক্তরাই রথের রশি টেনে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথকে মন্দির থেকে মাসির বাড়ির উদ্দেশে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই নতুন ব্যবস্থাই ভক্তদের আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।
শুক্রবার থেকে আর মিলবে না খালি রুম
হোটেল মালিকদের দাবি, রথের দিনের পর পরিস্থিতি বদলে যাবে। ১৭ জুলাই, শুক্রবার থেকে টানা কয়েক দিনের জন্য অধিকাংশ হোটেলের কক্ষ আগেই বুক হয়ে গিয়েছে। তাই যারা সপ্তাহান্তে দিঘা যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের আগাম বুকিং করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
হোটেল অ্যাসোসিয়েশন কী জানাল?
দিঘা-শঙ্করপুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তীর বক্তব্য, রথের দিন পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত কক্ষ রয়েছে। তবে শুক্রবার থেকে প্রায় সব হোটেলই পূর্ণ বুকিংয়ে চলে যাবে। তাই বৃহস্পতিবার রাত্রিবাস করতে ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।
রথ শেষে রাত কাটাতে পারবেন নিশ্চিন্তে
রথযাত্রার অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে যায়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের অনেকেই সেদিনই বাড়ি ফিরতে পারেন না। তাঁদের জন্য স্বস্তির খবর, রথের দিন দিঘায় এখনও হোটেলের কক্ষ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে অনুষ্ঠান উপভোগ করে নিশ্চিন্তে দিঘায় রাত কাটানো সম্ভব।
রথযাত্রা উপলক্ষে দিঘায় ভিড় বাড়লেও ১৬ জুলাই, অর্থাৎ রথের দিন এখনও বহু হোটেলে খালি ঘর রয়েছে। দিঘা-শঙ্করপুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, বৃহস্পতিবারের জন্য প্রায় ৫০ শতাংশ রুম ফাঁকা। তবে শুক্রবার থেকে প্রায় সব হোটেলই সম্পূর্ণ বুক হয়ে যাবে।













