সাধারণত ভিড় ঠাসা দিঘা—আজ সেখানে নীরবতা। সমুদ্রের ঢেউ আগের মতোই উঠছে, কিন্তু নেই সেই পর্যটকদের ভিড়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রশাসনের কড়া সিদ্ধান্তে রাতারাতি বদলে গেল জনপ্রিয় এই সমুদ্রতীরের ছবি।
হঠাৎ করেই ফাঁকা দিঘা সৈকত
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত যেখানে ভিড় লেগেই থাকত, এখন সেখানে হাতে গোনা কয়েকজন মানুষ। ওল্ড দিঘার স্নানঘাট থেকে বিশ্ববাংলা উদ্যান—সব জায়গায়ই নীরবতা। অধিকাংশ পর্যটকই স্থানীয়, বাইরের কাউকে আর দেখা যাচ্ছে না।
কেন এই নিষেধাজ্ঞা?
West Bengal Assembly Elections 2026-এর প্রথম দফার ভোটকে সামনে রেখে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কড়া নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন। দিঘা, শঙ্করপুর, তাজপুর ও মন্দারমণির হোটেলগুলিতে বাইরের পর্যটকদের থাকা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নিরাপত্তার কারণেই কঠোর পদক্ষেপ
প্রশাসনের দাবি, ভোটের আগে বাইরের লোকজনের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণ করতেই এই সিদ্ধান্ত। যাতে কোনওভাবে নির্বাচনে প্রভাব না পড়ে, সেজন্যই স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়া অন্য কাউকে হোটেলে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না।
ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত
হোটেল মালিকদের কথায়, হঠাৎ এই নিষেধাজ্ঞায় প্রায় সব বুকিং বাতিল হয়ে গেছে। দোকানপাটও বন্ধ হয়ে পড়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে হোটেল মালিক—সবাই পড়েছেন চরম আর্থিক চাপে।
পর্যটকদের হতাশা
অনেক পর্যটক আগাম বুকিং করেও হোটেল না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ কেউ দিনের মধ্যেই ঘুরে ফিরে যাচ্ছেন। ফলে পর্যটন নির্ভর অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে।
Digha-সহ শঙ্করপুর, তাজপুর ও মন্দারমণিতে ভোটের আগে হোটেলে বাইরের পর্যটক নিষিদ্ধ। ফলে ফাঁকা সমুদ্র সৈকত, বাতিল বুকিংয়ে বড়সড় ধাক্কা পর্যটন ব্যবসায়।









