Harmful Chicken Parts: সাবধান! মুরগির এই অংশগুলি খেলে বাড়তে পারে সংক্রমণ-হৃদরোগের ঝুঁকি, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

Harmful Chicken Parts: সাবধান! মুরগির এই অংশগুলি খেলে বাড়তে পারে সংক্রমণ-হৃদরোগের ঝুঁকি, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

রোজকার খাদ্যতালিকায় চিকেন অনেকেরই প্রিয়। জিম-ডায়েট থেকে পারিবারিক রান্না—সবেতেই মুরগির কদর তুঙ্গে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, মুরগির সব অংশ শরীরের জন্য সমান নিরাপদ নয়। স্বাদের টানে ভুল অংশ বেছে নিলে উল্টে বাড়তে পারে সংক্রমণ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও হজমের সমস্যা।

মুরগির চামড়া: লুকিয়ে থাকা অতিরিক্ত ফ্যাটের উৎস

চিকেন স্কিনে থাকে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ক্যালোরি। নিয়মিত বেশি পরিমাণে খেলে ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষত ডায়াবেটিস, স্থূলতা বা হার্টের রোগে ভোগা ব্যক্তিদের জন্য এটি এড়িয়ে চলাই ভাল। ভাজা চিকেন স্কিন আরও বেশি ক্ষতিকর।

লিভার ও হার্ট: পরিমিত না হলে বিপদ

মুরগির লিভার ও হার্টে আয়রন ও ভিটামিন এ থাকলেও অতিরিক্ত খেলে ভিটামিন এ-র বিষক্রিয়ার আশঙ্কা থাকে। গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। লিভার শরীরের ডিটক্স অঙ্গ হওয়ায় এতে কিছু বিষাক্ত উপাদান জমা থাকতে পারে—তাই ঘন ঘন না খাওয়াই ভাল।

অন্ত্র ও নাড়িভুঁড়ি: পরিষ্কার না হলে সংক্রমণের ভয়

চিকেনের অন্ত্র বা নাড়িভুঁড়ি সঠিকভাবে পরিষ্কার ও পর্যাপ্ত তাপে রান্না না হলে ব্যাকটেরিয়া থেকে যেতে পারে। এতে খাদ্যে বিষক্রিয়া, ডায়রিয়া, বমি বা পেটের ব্যথা হতে পারে। রাস্তার দোকান বা অপরিচ্ছন্ন জায়গায় এই অংশ খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

মাথা ও ফুসফুস: দূষণের সম্ভাবনা বেশি

কিছু এলাকায় মুরগির মাথা বা ফুসফুস খাওয়ার চল থাকলেও বিশেষজ্ঞরা তা নিরুৎসাহিত করেন। এসব অংশে ভারী ধাতু, ব্যাকটেরিয়া বা দূষণকারী পদার্থ জমার আশঙ্কা বেশি থাকে। দীর্ঘমেয়াদে এগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

কোন অংশ সবচেয়ে নিরাপদ?

পুষ্টিবিদদের মতে, মুরগির বুকের মাংস (চিকেন ব্রেস্ট) ও পায়ের মাংস তুলনামূলকভাবে বেশি নিরাপদ। এতে প্রোটিন বেশি ও ফ্যাট কম থাকে। সেদ্ধ, গ্রিল বা কম তেলে রান্না করা চিকেনই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর বিকল্প।

মুরগির মাংস প্রোটিনের ভালো উৎস হলেও সব অংশ সমান উপকারী নয়। চামড়া, অন্ত্র, লিভার বা ফুসফুসের মতো কিছু অংশে অতিরিক্ত চর্বি, ব্যাকটেরিয়া বা দূষণকারী পদার্থ জমা হতে পারে। কোন অংশ খাবেন, কোনটা এড়িয়ে চলবেন—জানুন বিস্তারিত।

Leave a comment