গরমের দাপটের মাঝেই হঠাৎই বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তীব্র কালবৈশাখী আছড়ে পড়তে পারে। ঝড়ের বেগ পৌঁছতে পারে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঝড়ের তাণ্ডব
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হবে। বিশেষ করে Kolkata, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে তীব্র প্রভাব পড়তে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।
আট জেলায় লাল সতর্কতা জারি
পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, হাওড়া, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান—এই আট জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এইসব এলাকায় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর ২৪ পরগনাতেও ঝড়ের তীব্রতা কম হবে না।
২৪ ঘণ্টা জুড়ে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট
আগামী ২৪ ঘণ্টা জুড়েই রাজ্যের প্রায় সব জেলায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে বলে পূর্বাভাস। কোথাও ৫০-৬০ কিমি, আবার কোথাও ৭০-৮০ কিমি বেগে ঝড় বইতে পারে। ফলে গাছ উপড়ে পড়া, বিদ্যুৎ বিপর্যয় বা যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা বাড়ছে।
উত্তরবঙ্গেও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা
শুধু দক্ষিণবঙ্গই নয়, উত্তরবঙ্গের Darjeeling ও কালিম্পং জেলাতেও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
কতদিন চলবে এই দুর্যোগ?
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এই ঝড়-বৃষ্টির দাপট মূলত ১-২ দিন স্থায়ী হতে পারে। তবে ১০ এপ্রিলের পর ফের তাপমাত্রা ৪-৬ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে, ফলে গরম আবারও চড়বে।
সতর্ক থাকুন, কী কী করবেন
ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা জায়গায় না থাকা, বজ্রপাতের সময় গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়া এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বিপদ এড়াতেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তীব্র কালবৈশাখীর পূর্বাভাস। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি-সহ একাধিক জেলায় ৭০-৮০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সতর্কতা জারি। কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।










