দক্ষিণ ২৪ পরগনার সমুদ্র উপকূলে পর্যটনের নতুন দিগন্ত খুলতে বড় পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় Bakkhali-র পাশাপাশি এবার সমান গুরুত্ব পাচ্ছে আশপাশের একাধিক সমুদ্রসৈকত। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলে উঠে এই অঞ্চলকে নতুন করে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য।
![]()
আয়লার ধাক্কা কাটিয়ে নতুন স্বপ্ন
২০০৯ সালের বিধ্বংসী Cyclone Aila-র সময় এই অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্রগুলি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এরপর একাধিক ঘূর্ণিঝড়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ফলে পর্যটকদের আনাগোনা কিছুটা কমে গিয়েছিল। তবে এখন আবার নতুন করে সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বকখালির উন্নয়নের ধারা এবার ছড়াবে চারদিকে
Bakkhali-কে আগেই সাজানো হয়েছে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে। ঝাউগাছ লাগানো, আলোকসজ্জা, পার্কিং ও পিকনিক স্পট—সব মিলিয়ে পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে এই সমুদ্রসৈকত। এই উন্নয়নের ধারাই এবার আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা।
নতুন তিন কেন্দ্র—কারগিল, মৌসুনি, লালগঞ্জ
ফ্রেজারগঞ্জ সংলগ্ন Kargil Beach, হরিপুর এলাকার Lalganj এবং Mousuni Island—এই তিনটি এলাকাকে ঘিরে নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠছে। ইতিমধ্যেই পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করেছে, যা ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করছে।
![]()
পর্যটন সার্কিট গড়ার পরিকল্পনা
শুধু পৃথক পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং এই সমস্ত এলাকাকে একত্রিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ “পর্যটন সার্কিট” তৈরির ভাবনা রয়েছে। এর ফলে পর্যটকরা এক সফরেই একাধিক সমুদ্রসৈকত ঘুরে দেখতে পারবেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিকেও চাঙা করবে।
রাজনৈতিক মঞ্চেও বড় ইস্যু
এই উন্নয়ন পরিকল্পনাকে ইতিমধ্যেই All India Trinamool Congress নির্বাচনী প্রচারে বড় ইস্যু হিসেবে তুলে ধরছে। স্থানীয়দের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান ও পর্যটন—দু’দিকেই বড় পরিবর্তন আসবে।
![]()
Bakkhali-র সাফল্যের পর এবার নজর Kargil Beach, Mousuni Island ও Lalganj-এ। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এই এলাকাগুলিকে নতুনভাবে সাজিয়ে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।













