অভিষেকের গোলে ভারত ম্যাচের শুরুটা ইতিবাচকভাবে করে। ষষ্ঠ মিনিটে অভিষেক গোল করে ভারতকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। তবে মাঠে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি খেলোয়াড় থাকায় অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিংকে হলুদ কার্ড দেখানো হয় এবং কিছু সময়ের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হয়।
প্রথম কোয়ার্টারে বেলজিয়াম একাধিক পেনাল্টি কর্নার পেলেও ভারতীয় ডিফেন্স সেগুলিকে গোলে পরিণত হতে দেয়নি। প্রথমার্ধের শুরুর অংশে ভারত রক্ষণাত্মকভাবে নিজেদের সংগঠিত রাখে।
দ্বিতীয় কোয়ার্টারে বেলজিয়াম দ্রুত দুটি গোল করে ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে দেয়। ২২তম মিনিটে রোমান ডুভেকোট গোল করে স্কোর ১-১ করেন। পরের মিনিটেই, ২৩তম মিনিটে হুগো লাবুশের পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতে অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং গোল করে ভারতকে আবার সমতায় ফেরান। তাঁর গোলে স্কোর ২-২ হয়। শেষ কোয়ার্টারে বেলজিয়াম আবার গোল করে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
![]()
ম্যাচ শেষ হওয়ার প্রায় ২০ সেকেন্ড আগে ভারত পেনাল্টি কর্নার পায়। হরমনপ্রীত সিং সেটি গোলে পরিণত করে স্কোর ৩-৩ করেন। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ সমতায় শেষ হওয়ায় বিজয়ী নির্ধারণে পেনাল্টি শুটআউট হয়।
শুটআউটে ভারত শুরুটা ভালো করে। শিলানন্দ, দিলপ্রীত এবং অভিষেক নিজেদের প্রথম দিকের প্রচেষ্টা গোলে পরিণত করেন। তবে শেষ দুটি প্রচেষ্টায় অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং এবং সুখজিৎ সিং গোল করতে পারেননি।
অন্যদিকে বেলজিয়ামের খেলোয়াড়েরা চারটি গোল করেন। ফলে পেনাল্টি শুটআউটে বেলজিয়াম ৪-৩ ব্যবধানে জয় পায়। এই হারের ফলে ভারতীয় পুরুষ হকি দল হকি বিশ্বকাপে অষ্টম স্থানে অভিযান শেষ করে।
ভারতের হয়ে অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং দুটি এবং অভিষেক একটি গোল করেন। পদকের দৌড় থেকে আগেই ছিটকে যাওয়া ভারত শেষ ম্যাচেও পরাজয়ের মুখে পড়ে।
টুর্নামেন্টের শুরুতে ভারত ওয়েলসকে ৩-১ এবং পাকিস্তানকে ৫-৩ ব্যবধানে হারায়। এরপর ইংল্যান্ডের কাছে ২-৪ ব্যবধানে পরাজিত হয়। দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারত নেদারল্যান্ডসের কাছে ১-৩ এবং আর্জেন্টিনার কাছে ৩-৫ ব্যবধানে হারে। ধারাবাহিক পরাজয়ের ফলে ভারত পদকের দৌড় এবং সেমিফাইনালের সম্ভাবনা থেকে ছিটকে যায়।









